বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোয়াজ্জেম হোসেনের অভিযোগ, গত ২৬ ডিসেম্বর মানিক মণ্ডল, ইসরাইল হোসেন, ফজলুর রহমানসহ কয়েকজন তাঁর বাস টার্মিনালের ওই জায়গায় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নির্বাচনের ক্যাম্প স্থাপনের জন্য ঘিরে ফেলেন। প্রথমে কালো কাপড় দিয়ে ঘিরে সেখানে আওয়ামী লীগ প্রার্থী লুৎফর রহমানের নৌকার পোস্টার ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সেখানে সিমেন্টের খুঁটি ও ওপরে ঢেউটিনের ছাউনি দেওয়া হয়। তিনি বাধা দিলে তাঁকে ভয়ভীতি দেখিয়ে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। তখন তিনি ইউএনও ও ওসির কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। অভিযোগ পেয়ে ওই দিনই থানার এক উপপরিদর্শক (এসআই) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। দখলদারেরা তখন পুলিশকে বলেন, নির্বাচনের পর তা ভেঙে ফেলবেন।

এ অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী লুৎফর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি কল ধরেননি।

দখলকারীদের একজন ইসরাইল হোসেন বলেন, নির্বাচনের জন্য জায়গাটি সাময়িক ব্যবহার করা হচ্ছে। নির্বাচন পার হলে জায়গাটি ছেড়ে দেওয়া হবে। তিনি দাবি করেন, জায়গাটি অভিযোগকারী স্কুলশিক্ষক মোয়াজ্জেম হোসেনের দাদা তাদের (শ্রমিকসংগঠনকে) মৌখিকভাবে দান করেছিলেন। এ জন্য নিচু জায়গাটি ভরাট করা হয়েছে।

বাগমারা থানার এসআই তারিকুল ইসলাম বলেন, বাদী ও বিবাদীকে নিয়ে একটি সমঝোতা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। বিবাদীরা নির্বাচনের পর জায়গাটি ছেড়ে দেওয়ার কথা বলেছেন। এরপরও জায়গাটি দখলমুক্ত না হলে বাদীকে আদালতে যেতে বলা হয়েছে।

বাগমারার ইউএনও ফারুক সুফিয়ান বলেন, অফিসটি বৈধ না অবৈধ, সেটি যাচাই-বাছাই করা হবে। অবৈধ বা দখল করা হলে সেটি উচ্ছেদ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন