বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিএনপি নেতা জয়নুল আবদিন আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিএনপি কোনো নির্বাচন করছে না। এসব সাংবাদিক সম্মেলনে আমি বিশ্বাস করি না। ওই গ্রুপকেও (কাজী মফিজুর রহমান) আমি বিশ্বাস করি না। তাই এসব বিষয়ে আমি কোনো কথা বলব না।’

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব মোক্তার হোসেন ওরফে ইকবাল মাস্টার। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের আলোকে সারা দেশের মতো নোয়াখালীতেও বিএনপি চলমান ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে বিরত রয়েছে। এ কারণে উপজেলা বিএনপিও প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে দলের কাউকে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য অনুমোতি দেয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, সাবেক সাংসদ ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জয়নুল আবদিন নির্বাচনী এলাকায় একজন প্রার্থীর পক্ষে উঠান বৈঠক করেছেন এবং তাঁর পক্ষে ভোট করতে দলীয় নেতা–কর্মীদের চাপ দিচ্ছেন। এ ছাড়া তিনি একই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী, বর্তমান চেয়ারম্যান ও জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন ওরফে বাহারকে ভোট না দিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার জন্য স্থানীয় এক নেতাকে মুঠোফোনে অনুরোধ করেন; যা সরাসরি দলের বিরুদ্ধে অবস্থান।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ওবায়েদ উল্যা, জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক কাবিলপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান ও টেলিফোন প্রতীকের প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, বিএনপি নেতা মফিজুল ইসলাম, মির্জা সোলেমান, সফিক চৌধুরী, দলিলুর রহমান, আবুল খায়ের প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন