বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে দোয়া মল্লিকপুর গ্রামের মো. শাহিদুর রহমানকে। তিনি গতবার মল্লিকপুর ইউপি নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হন। তাঁর অন্য দুই ভাই মো. শরিফুল ইসলাম ও মনিরুল ইসলামও আসামি হয়েছেন। এ ছাড়া লোহাগড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সজীব মুসল্লি ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোল্লাকে আসামি করা হয়েছে। মামলায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ৮-৯ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

নিহত পলাশের পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন, শাহিদুর রহমান মল্লিকপুর ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন। এ নির্বাচনে তাঁর পক্ষে পলাশকে প্রচারণা চালাতে বলেছিলেন। তাঁর পক্ষে প্রচারণা না চালালে পলাশকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদ মোল্লার সঙ্গে তাঁর রাজনৈতিক বিরোধ হয়। এ নিয়েও তাঁকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। নিহত পলাশ আগামীতে উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রত্যাশী ছিলেন।

স্থানীয় লোকজন জানান, শাহিদুর ও রাশেদ এলাকায় একই পক্ষ। নিহত পলাশ এক সময়ে ওই পক্ষে ছিলেন। দেড় বছর আগে ওই পক্ষ ত্যাগ করেন। তিনি মল্লিকপুর ইউপি নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থী এস এম ফরিদুজ্জামানের পক্ষে কাজ করছিলেন। ফরিদুজ্জামান ওই ইউনিয়নের চরমল্লিকপুর গ্রামের বাসিন্দা।

এ বিষয়ে ফরিদুজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘তাঁদের পক্ষ ত্যাগ করে আমার পক্ষে থাকায় তাঁকে হত্যা করা হয়েছে।’

নিহত পলাশের পরিবারের লোকজন জানান, পলাশ লোহাগড়া বাজারে ছিলেন। তাঁকে ফোন করে চরমল্লিকপুরের রুবেল ওই গ্রামের রমজানের বাড়িতে ডেকে নেন। সেখানে তাঁরা খাওয়াদাওয়া করেন। এরপর ওই বাড়ি থেকে বের হলেই তাঁকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।

লোহাগড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আবু হেনা জানান, এখানো কেউ আটক হয়নি। সবাই পালিয়েছেন। তাঁদের ধরার চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন