বিজ্ঞাপন

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনার টিকা গ্রহণের জন্য জেলায় ৩৩ হাজার ৮৫৩ জন নিবন্ধন করেন। দুই ধাপে জেলায় করোনা টিকার বরাদ্দ পাওয়া যায় ৩০ হাজার ডোজ করে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি জেলায় ওই গণটিকাদান শুরু হয়েছিল। নড়াইল সদর হাসপাতাল, লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং কয়েকটি ইউনিয়ন পর্যায়ে টিকাদান কার্যক্রম চলে। ২৯ হাজার ৯৭২ জনকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। নিবন্ধন করেও জেলায় ৩ হাজার ৮৮১ জন টিকা গ্রহণ করেননি। এরপর ৭ এপ্রিল জেলায় দ্বিতীয় ডোজ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়। দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ২৩ হাজার ২৪৩ জনকে। দ্বিতীয় ডোজ এসেছিল ২৪ হাজার। টিকার মজুত ফুরিয়ে যায় ২০ মে। ২১ মে থেকে টিকাদান কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। জেলায় এখন ৬ হাজার ৭২৯ জনকে টিকার দ্বিতীয় ডোজের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে।

নড়াইলে ২৯ হাজার ৯৭২ জনকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে ২৩ হাজার ২৪৩ জনকে।

জেলায় প্রথম ডোজের টিকা এসেছিল ৩০ হাজার এবং দ্বিতীয় ডোজ এসেছিল ২৪ হাজার। প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৯ হাজার ৯৭২ জনকে এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৩ হাজার ২৪৩ জনকে। এই কম টিকা দেওয়ার ব্যাপারে সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, কিছু টিকা অপচয় হবে, এটি স্বাভাবিক। কারণ, একটি ভায়েলে (শিশি) ১০ ডোজ টিকা থাকে। সর্বশেষ ভায়েল খোলার পর ১০ জন করে গ্রাহক সব দিন পাওয়া যায়নি।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রোগনিয়ন্ত্রণ বিভাগের কর্মকর্তা শফিক তমাল বলেন, প্রথম ডোজ টিকা যাঁরা নিয়েছেন, তাঁদের দ্বিতীয় ডোজ টিকা গ্রহণের জন্য এত দিন এসএমএস দেওয়া হয়েছে। টিকার মজুত শেষ হওয়ায় এখন আর সেই এসএমএস দেওয়া হচ্ছে না। তবে অনেকেই ফোন করে বা সশরীরে এসে উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন নাসিমা আকতার প্রথম আলোকে বলেন, ‘কবে টিকা পাওয়া যাবে, তা বলা সম্ভব হচ্ছে না। সরকার প্রাণপণ চেষ্টা করছে টিকা আনতে। আমরা দ্বিতীয় ডোজ দেওয়ার ক্ষেত্রে ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত দেরি করতে পারব। সে পর্যন্তও যদি টিকা না পাওয়া যায়, তবে নিশ্চয়ই এ ব্যাপারে নির্দেশনা আসবে। সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন