বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৎস্য ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী মৃধা বলেন, ‘বাগাড় মাছটি সরাসরি আবদুল খালেক মোল্লার কাছ থেকে ১ হাজার ২৫০ টাকা কেজি দরে কিনেছি। পরে মোবাইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা লাভে ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে মাছটি ৪৫ হাজার ৫০০ টাকায় বিক্রি করেছি।’

আবদুল খালেক মোল্লা বলেন, ‘আমরা শনিবার সকালে ট্রলার নিয়ে পদ্মায় মাছ ধরতে যাই। দুপুরে জাল তুলতেই দেখি, বড় এই বাগাড় আটকা পড়েছে। অনেক দিন পর অনেক বড় একটি মাছ পেয়ে অনেক ভালো লাগছে।’

এর আগে শনিবার ভোররাতে পদ্মা নদীর মানিকগঞ্জের হরিরামপুর এলাকার রতন হালদারের জালে ১৮ কেজির একটি বাগাড় এবং ১২ কেজির একটি চিতল মাছ ধরা পড়ে। মাছ দুটি শনিবার সকালে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে বিক্রি হয়। মাছ দুটি সকালে ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ কিনে লাভে গাজীপুরের এক ব্যবসায়ীর কাছে বিক্রি করেন।

স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, চিতল ও বাগাড় মাছ দুটি শনিবার ভোরে মানিকগঞ্জের হরিরামপুর এলাকার পদ্মা নদীতে রতন হালদারের জালে ধরা পড়ে। চিতল মাছটি রতন হালদার ১ হাজার ৫৫০ টাকা কেজি দরে এবং বাগাড় মাছটি ১ হাজার ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ মাছ দুটি কিনে নেন। পরে গাজীপুরের মাওনা এলাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজি দরে চিতল এবং ১ হাজার ১০০ টাকা কেজি দরে চিতল মাছটি বিক্রি করেন।

দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তের স্বত্বাধিকারী শাহজাহান শেখ বলেন, ‘বড় মাছ পাওয়ায় জেলেরা খুশি, ব্যবসায়ী হিসেবে আমরাও খুশি। চিতল মাছ সাধারণত চার–পাঁচ কেজির পাওয়া যায়। পদ্মা নদীর ১০-১২ কেজি ওজনের চিতল খুব কমই পাওয়া যায়।’

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, এমন বড় বাগাড় মাছ এখন খুব একটা দেখা যায় না। তবে মিঠাপানির সুস্বাদু এত বড় মাছ নদীতে এখন মাঝেমধ্যেই দেখা যায়। এ ধরনের মাছ সাধারণত ফ্যাসন, দশন, কৌনা, কচাল ও চাকাওয়ালা ঘাইলা বেড়জালে ধরা পড়ে। আগামী প্রজন্মের জন্য এই মাছের স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে এমন মাছের বংশবৃদ্ধিসহ আরও বেশি পাওয়া যেত।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন