বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মৎস্য আড়তের মালিক দেলোয়ার হোসেনের ছোট ভাই মিলন বলেন, ‘সাকার মাছটি উন্মুক্ত নিলামে ওঠানো হলেও কেউ দাম করেননি। ওই জেলে আমাদের কাছেই মাছটি রেখে যান। অনেকেই মাছটি না খাওয়ার জন্য বলেছেন। শুনেছি এই মাছ অন্য সব মাছকে খেয়ে ফেলে। তারপরও সবশেষে কোনো উপায় না পেয়ে মাছটি নিজেদের পুকুরে ছেড়ে দিয়েছি। এই মাছ নাকি খুব দ্রুত ডিম দেয়। এ জন্য লোকে পুকুরে ছাড়ে।’

জেলে সুমন হালদার বলেন, ‘আমরা বুধবার অনেক ভোরে মাছ ধরতে নদীতে যাই। ভোর ছয়টার দিকে দিকে জাল তুলতেই দেখি আজব এই মাছটি আটকা পড়েছে। মাছটি বিক্রি করার চেষ্টা করলেও কেউ কেনেননি। তাই আড়তদারের কাছে এমনিতেই দিয়ে এসেছি। যদি কেউ নিতে চান, তাহলে কিছু টাকা পাব। আর যদি না নেন, তাহলে বিনা পয়সায় ছেড়ে দিতে হবে।’

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ বলেন, মিঠাপানিতে এমন মাছ খুব কমই দেখা যায়। মাছ দেখতে একটু ভয়ংকর। তবে মাছটি অনেকেই খেয়ে থাকেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন