বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, শনিবার দিবাগত রাতে নদীতে জাল নিয়ে মাছ শিকারে বের হন নিরঞ্জন হালদার। রাতে তেমন ভালো কোনো মাছ না পাওয়ায় তিনি অনেকটা হতাশ হন। ভোরের দিকে দৌলতদিয়ার ৭ নম্বর ফেরিঘাটের অদূরে বাহির চর দৌলতদিয়া এলাকায় জাল ফেলেন তিনি। সেখানে জাল তুলতেই ঝাঁকুনিতে বুঝতে পারেন বড় কোনো মাছ আটকা পড়েছে। অবশেষে জাল তুলে নৌকায় ওঠাতেই দেখেন, বড় একটি কাতলা মাছ। পরে মাছটি নিরঞ্জন হালদার বিক্রির জন্য দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাট এলাকার মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিক্রি করেন।

মৎস্যজীবীরা আরও জানান, নিরঞ্জন হালদার মাছটি বিক্রির জন্য সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দৌলতদিয়া ৫ নম্বর ফেরিঘাটে অবস্থিত শাকিল-সোহান মৎস্য আড়তে নিয়ে আসেন। পরে শাহজাহান শেখ মাছটি ১ হাজার ৬০০ টাকা কেজিতে মোট ২৮ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নেন।

মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান শেখ বলেন, ‘কাতলা মাছটি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে কেনার পর আড়তেই রেখেছিলাম। পরবর্তী সময়ে মুঠোফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে দুপুরের দিকে ঢাকার এক ব্যবসায়ীর কাছে ১ হাজার ৮০০ টাকা কেজি দরে ৩২ হাজার ৪০০ টাকায় আস্ত মাছটি বিক্রি করা হয়।’

নিরঞ্জন হালদার বলেন, ‘আমরা শনিবার রাতে মাছ ধরতে নদীতে যাই। রাত শেষে ভোরেও মাছ না পাওয়ায় অনেকটা হতাশ হচ্ছিলাম। পরে সকাল সাতটার দিকে জাল তুলতেই দেখি, বড় মাছটি আটকা পড়েছে। অনেক দিন পর অনেক বড় একটি মাছ পেয়ে অনেক ভালো লাগছে। মাছটির ভালো দামও পেয়েছি।’

গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, মিঠা পানির এত বড় মাছ নদীতে এখন মাঝেমধ্যেই দেখা যায়। এ ধরনের মাছ সাধারণত ফ্যাসন, দশন, কৌনা, কচাল ও চাকাওয়ালা ঘাইলা বেড়জালে ধরা পড়ে। আগামী প্রজন্মের জন্য এই মাছের স্থায়ী অভয়াশ্রম করা গেলে এমন মাছের বংশবৃদ্ধি বেশি হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন