বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ছবুল্লা শিকদারের ডাঙ্গী বিদ্যালয়টির ভাঙনের ইতিহাস বেশ পুরোনো। বিদ্যালয়টি ১৯৭০ সালে স্থাপন করা হয়। ১৯৯৭ সালের ভাঙনের ফলে ওই জায়গা থেকে অন্তত তিন কিলোমিটার দূরে এসে বর্তমান জায়গায় ২০ শতাংশ জমির ওপর দুটি টিনের ঘরে চালানো হচ্ছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। বিদ্যালয়ের এ দুটি ঘরও ভাঙনের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. শিহাব হোসেন বলে, ‘দুইডা টিনের ঘরে আমাগো ক্লাস নেওয়া হয়। বাড়ির পাশে বইল্যা লেখাপড়া করি। স্কুল না থাকলে আর পড়ালেখা করবে কে?’

ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ জানান, গত আগস্ট মাস থেকে এলাকায় ভাঙন দেখা দেয়। তবে গত শুক্রবারের ভাঙন ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ। এখনই এ ভাঙন রোধ করা না গেলে ১৫০ জন শিক্ষার্থী ও চারজন শিক্ষক নিয়ে তাঁরা অনিশ্চয়তার মুখে পড়বেন।

ছবুল্লা শিকদারের ডাঙ্গী গ্রামটি ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে অবস্থিত। ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সালাম ফকির জানান, গত শুক্রবার এক ঘণ্টার মধ্যে স্কুলসংলগ্ন এলাকায় পদ্মা নদী আনুমানিক দেড় শ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ক্ষেত্রবিশেষে ৪ থেমে ৫ মিটার প্রস্থ হয়ে ভেঙে গেছে। এর ফলে ওই স্কুল ছাড়াও ওই এলাকায় বসবাসকারী ৬০টি পরিবার ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতীম সাহা জানান, তিনি ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। ইতিমধ্যে ছবুল্লা শিকদারের ডাঙ্গীতে ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের বিষয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে স্থায়ী কাজ করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন