এ ঘটনায় করা মামলার আসামিরা হলেন ইসলামপাড়া গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে হুজুর আলী, তাঁর ছেলে মো. শান্ত, মৃত সামসুদ্দিনের ছেলে ফরিদ মিয়া ও রাশেদ মিয়া, ফরিদ মিয়ার ছেলে অভি মিয়া, জাহাঙ্গীরের ছেলে রাকিব, হাসেম মিয়ার ছেলে সুচন মিয়া, মুন্না মিয়ার ছেলে অপূর্ব, মৃত মো. সবেতের ছেলে মো. জুয়েল। বাকি ছয়জন অজ্ঞাত।

মামলার লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, রোববার সন্ধ্যায় ইসলামপাড়া বাজারের পশ্চিম পাশে হামলার শিকার ব্যক্তিরা পৌঁছার পর পূর্বশত্রুতার জের ধরে তাঁদের পথরোধ করেন একই গ্রামের অন্তত ১৫ জন পরিচিত-অপরিচিত ব্যক্তি। এ সময় তাঁরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে এই পাঁচজনকে উপর্যুপরি কোপাতে থাকেন তাঁরা। এ সময় কামরুল ও খাইরুলের সঙ্গে থাকা ১১ লাখ টাকা লুট করে নেওয়া হয়। পরে তাঁদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে রক্তাক্ত পাঁচজনকে ফেলে রেখে পালিয়ে যান তাঁরা। পরে আহত পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয় লোকজন পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

আহত কামরুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনাটি যাঁরা ঘটিয়েছেন, তাঁরা এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। এর আগেও তাঁরা এ ধরনের ঘটনা ঘটিয়েছেন। সঠিক বিচার না হওয়ায় তাঁরা দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠছেন। হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের মধ্যে ৯ জনকে চিহ্নিত করতে পেরেছেন হামলার শিকার ব্যক্তিরা। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিচার ও লুট করে নেওয়া ১১ লাখ টাকা ফেরত চান তাঁরা।

ঘটনার পর থেকে আসামিরা পলাতক। তাই তাঁদের বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। তাঁদের ব্যবহৃত মুঠোফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মাদ ইলিয়াছ। তিনি বলেন, খবর শুনে ঘটনার স্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। আহত ব্যক্তিরা সুস্থ হয়ে থানায় এসে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, সেটি মামলা হিসেবে নেওয়া হয়েছে। এজাহারভুক্ত আসামিরা বর্তমানে পলাতক, তাঁদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন