পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভুক্তভোগী নারীর বিয়ে হয়। তাঁর বাবার বাড়ি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায়। কয়েক দিন আগে ওই গৃহবধূ তাঁর বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গৃহবধূর কাছ থেকে কামরুজ্জামান এক হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। গত সোমবার দুপুরে ওই গৃহবধূ কামরুজ্জামানের কাছে তাঁর পাওনা টাকা চান। কামরুজ্জামান টাকা নেওয়ার জন্য সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার একটি বাজারে যেতে বলেন। গৃহবধূ সেখানে গেলে তাঁকে বিদ্যালয়ের ভেতরে নিয়ে দলবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।

শ্রীবরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আবুল হাশিম আজ বুধবার সকালে প্রথম আলোকে বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে ধর্ষণ ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। জেলা সদর হাসপাতালে ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন