বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আটক তরুণের পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানা গেছে, শুক্রবার (২৯ অক্টোবর) রাত সাড়ে আটটার দিকে পাটগ্রামের জোংড়া ইউনিয়নের ককোয়াবাড়ি গ্রামের সীমান্তের ৮৬৮ নম্বর মেইন পিলারের কাছ দিয়ে মিলু মিয়াসহ বাংলাদেশি একদল গরু ব্যবসায়ী ভারতের ওপারের কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা থানার ছটগাছি গ্রামের ভারতীয় গরু ব্যবসায়ীর বাড়িতে গরু আনতে যান। এ সময় উভয় দেশের ২০-২৫ জন গরু ব্যবসায়ী একত্র হয়ে আরেকটি গ্রামের উদ্দেশে রওনা দেন। এ সময় তাঁরা ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) টহল দলের মুখোমুখি হন। ফলে ওই টহল দলকে পাশ কাটিয়ে আরেক গ্রামে পৌঁছান তাঁরা। এ সময় ওই গ্রামে কালীপূজা আয়োজনের সভা করছিলেন স্থানীয় গ্রামবাসী।

গরু পারাপারকারীদের প্রবেশ করতে দেখে গ্রামের বাসিন্দারা ধাওয়া করে কয়েকজনকে আটক করে বেধড়ক মারপিট করেন। এ সময় অনেকে পালিয়ে গেলেও বাংলাদেশি তরুণ মিলুসহ দুই ভারতীয়কে আটক করেন তাঁরা। পরে মাথাভাঙ্গা থানা–পুলিশ আহত অবস্থায় ওই তিন গরু ব্যবসায়ীকে উদ্ধার করে স্থানীয হাসপাতালে ভর্তি করায়।

মিলুর বাবা আবদুল হামিদ বলেন, ‘আমাদের গ্রামের পার্শ্ববর্তী ভারতীয় গ্রামের বেশ কয়েকজন গরু পারাপারকারীর সঙ্গে আমারও ছেলে যায়। পরে চিল্লাচিল্লি শুনতে পাই। রাতেই খবর পাই ছেলে ভারতের গ্রামের লোকজনের হাতে আটক হয়েছে। মোবাইলে কথা বলেছি, কোচবিহার জেলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে ছেলে।’

জোংড়া ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সত্য চন্দ্র রায় বলেন, ‘শুনেছি দুজন ভারতীয়সহ মিলু আটক হয়েছেন। আমি মিলুর বাড়িতে গিয়েছি। তাঁর বাবা আবদুল হামিদ ভারতের থাকা তাঁদের আত্মীয়ের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে জানতে পারেন, মিলু ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’

৬১ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) নাজির গোমানী ক্যাম্পের ভারপ্রাপ্ত কমান্ডার হাবিলদার রফিক বলেন, মিলু ভারতীয় বিএসএফের হাতে আটক হননি। তবে দুজন ভারতীয় ও একজন বাংলাদেশিকে ভারতের গ্রামের লোকজন আটক করে পুলিশে দিয়েছেন। বর্তমানে ওই দেশে চিকিৎসাধীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন