বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ি, টেপাখড়িবাড়ি, খালিশা চাঁপানী, ঝুনাগাছ চাঁপানী ও গয়াবাড়ি ইউনিয়নের নদীবেষ্টিত প্রায় ১০টি চরগ্রামের ৫ সহস্রাধিক পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

এর আগে ৯ জুলাই দিবাগত রাতে ওই পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩০ সেন্টিমিটার ওপরে ওঠে। এতে ডিমলা উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের ১৫টি গ্রামে বন্যাবস্থার সৃষ্টি হয়। এরপর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়। গতকাল বুধবার পর্যন্ত পানি বিপৎসীমার কখনো ৬ সেন্টিমিটার, কখনো ৮ সেন্টিমিটার, আবার কখনো ৩০ সেন্টিমিটার নিচে নামে।83 words

ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ খান বলেন, আজ সকাল থেকে তিস্তা নদীর পানি বাড়তে শুরু করে, এতে ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেরস্বর ও পূর্ব ছাতনাই গ্রামের প্রায় এক হাজার পরিবারের বাড়িতে পানি উঠেছে।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. ময়নুল হক বলেন, আজ সকাল থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ডালিয়া ডিভিশনের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র মতে, আজ তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলেও বেলা ৩টায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে। ওই পয়েন্টে সকাল ৬টায় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার, সকাল ৯টায় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার, দুপুর ১২টায় ৫২ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার এবং বেলা ৩টায় ৫২ দশমিক ৬৪ সেন্টিমিটার দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।

পাউবো ডালিয়া ডিভিশনের দায়িত্বে থাকা নির্বাহী প্রকৌশলী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, উজানে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি আজ বেলা তিনটায় বিপৎসীমা অতিক্রম করে বিপৎসীমার চার সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিস্তা ব্যারাজের সব কটি (৪৪) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন