বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সুলতানা কামাল বলেন, স্বাধীনতা লাভের পর মানুষের লক্ষ্য ছিল নিজের সম্মান নিয়ে শান্তিতে এ দেশে বসবাস করা। সেই জায়গায় বিরাট একটা আঘাত করা হয়েছে। উত্তেজিত জনতার দেওয়া আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত জেলেদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমরা এসেছি আপনাদের সহমর্মিতা জানাতে। যে ঘটনা ঘটানো হয়েছে, আমরা তাতে ভীষণভাবে উদ্বিগ্ন, আমরা লজ্জিত। আপনাদের মতো আমরা নিজেরাও মনে ভয় নিয়ে ঘুরছি। আমরা অতিসাধারণ মানুষ, সাধারণভাবে শান্তিপূর্ণভাবে জীবন–জীবিকা চালাতে চাই, সেই টুকু তারা (সরকার) মানুষকে নিশ্চিত করতে পারে না। এটা একটা রাষ্ট্রের চরম ব্যর্থতা। তবু আপনাদের মনে সাহস রাখতে হবে, মনের মধ্যে প্রত্যয় রাখতে হবে।

এ দেশে যাতে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, সে জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’
সুলতানা কামালের সঙ্গে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক রোবায়েত ফেরদৌস, কেন্দ্রীয় খেলাঘরের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম, জিন্নাত আরা, অধ্যাপক আবদুস সোবহান, সামাজিক আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক সালেহ আহম্মেদ, পীরগঞ্জ নাগরিক কমিটির সভাপতি কাজী লুমুম্বা, আবু সুফিয়ান, বেসরকারি সংস্থা সমকালের নির্বাহী পরিচালক আবদুল হামিদ রাজা।

জেলেপল্লিতে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ

শুক্রবার বিকেলে জেলেপল্লি পরিদর্শন করেছেন রংপুরের পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী। সন্ধ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫২টি জেলে পরিবারকে বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড পিপলস রাইটস ফাউন্ডেশন সহায়তা দেয়। সহায়তার মধ্যে ছিল চাল, ডাল, তেল, লবণ, চিনি, আলুসহ খাদ্যসামগ্রী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লিগ্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড পিপলস রাইটসের (এলএসপিআর) সেক্রেটারি জেনারেল লোকমান হোসেন, পীরগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ টি এম মাজহারুল আলম।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন