বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ শুক্রবার বেলা তিনটার দিকে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চ পরিদর্শন করেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী। এর আগে বেলা দুইটার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান তিনি। পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, লঞ্চ দুর্ঘটনায় নিহত প্রত্যেক ব্যক্তির পরিবারকে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সংস্থা থেকে দেড় লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। এ ছাড়া নিহত ব্যক্তিদের দাফন-কাফনের জন্য জেলা প্রশাসক সব ব্যবস্থা করবেন।

খালিদ মাহমুদ আরও বলেন, ‘দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের জন্য একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আমি সরেজমিনে দেখলাম আমারও একটি ধারণা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে বিষয়টি পরিষ্কার করে বলা যাবে।’ তিনি বলেন, লঞ্চটির ২০২২ সাল পর্যন্ত ফিটনেস মেয়াদ ছিল।

এর আগে দগ্ধ রোগীদের দেখতে হাসপাতালে যান পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। বেলা সাড়ে তিনটার দিকে যান বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাংসদ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ। এ সময় তিনি হাসপাতালে ভর্তি দগ্ধ রোগীদের যথাযথ চিকিৎসা দিতে হাসপাতালের চিকিৎসকদের নির্দেশ দেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন