বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করায় সিলেটের তামাবিল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী কয়েকটি ইজিবাইক আটক করে জৈন্তাপুর থানা-পুলিশের একটি দল। সন্ধ্যায় আটক ইজিবাইকগুলো জৈন্তাপুর থানা প্রাঙ্গণে রাখা হয়। রাত আটটার দিকে একটি ইজিবাইক ছাড়িয়ে নিতে থানায় যান মো. ইসমাইল হোসেন। সেখানে কর্তব্যরত পুলিশের দুজন সদস্যের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হওয়ার একপর্যায়ে এক পুলিশ সদস্যের কলার চেপে ধরেন তিনি।

ইসমাইলের হাত থেকে ওই পুলিশ সদস্যের কলার ছাড়িয়ে নিতে গেলে কর্তব্যরত অন্য দুই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতি হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী দুই ব্যক্তি ও এক পুলিশ সদস্য বলেন, থানায় গিয়ে প্রথমে একটি ইজিবাইক ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন ইসমাইল। পুলিশ সদস্যরা রাতে ইজিবাইক ছেড়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ইসমাইল নিজেকে ইউপি সদস্য ও আওয়ামী লীগ নেতা লিয়াকত আলীর ছোট ভাই পরিচয় দেন। পুলিশ তাতে কর্ণপাত না করায় ক্ষুব্ধ হয়ে ইসমাইল পুলিশ সদস্যদের দেখে নেবেন বলে হুমকি দেন। এ নিয়ে পুলিশের সঙ্গে তাঁর কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় দালালদের কারণে নিষিদ্ধ যানের মহাসড়ক দিয়ে চলাচল বন্ধ করা সম্ভব হচ্ছে না বলে একজন পুলিশ সদস্য মন্তব্য করলে তিনি ওই পুলিশ সদস্যের কলার চেপে ধরে তাঁকে দালাল বলেছেন কেন জানতে চান।

এ সময় ইসমাইলের হাত থেকে ওই পুলিশ সদস্যের কলার ছাড়িয়ে নিতে গেলে কর্তব্যরত অন্য দুই পুলিশ সদস্যের সঙ্গে তাঁর হাতাহাতি হয়। থানার কম্পাউন্ড থেকে এ দৃশ্য দেখে কয়েকজন পুলিশ তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
জৈন্তাপুর থানার ওসি বলেন, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে (ইসমাইল) আটক করা হয়েছে।

মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি সিলেটে আছি। শুনেছি, পুলিশের সঙ্গে কী ঝামেলা হয়েছে। সত্য-মিথ্যা জানি না। তবে পুলিশের কলার চেপে ধরা বা হাতাহাতির ঘটনা সত্য নয়।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন