default-image

সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে ধর্ষণে জড়িত সবাইকে দ্রুত গ্রেপ্তার ও তাঁদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবিতে প্রতিবাদ সভা ও পদযাত্রা করা হয়েছে। আজ রোববার সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কাউন্সিলররা এ কর্মসূচি পালন করেন।

বিজ্ঞাপন

দুপুর ১২টার দিকে ধর্ষণের ঘটনার প্রতিবাদে নগর ভবনে আরিফুল হকের সভাপতিত্বে সভা হয়। এরপর বেলা একটার দিকে মেয়রের নেতৃত্বে মহানগর পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করেন কাউন্সিলররা। পদযাত্রা শেষে পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়ার সঙ্গে মেয়র ও কাউন্সিলররা বৈঠক করেন। এ সময় কমিশনার ধর্ষণে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেন।

নগর ভবনের সভায় সিদ্ধান্ত হয়, এ ধরনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে নগরের ২৭টি ওয়ার্ডে নাগরিক প্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, অভিভাবক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা হবে।

বিজ্ঞাপন
এই নগরে একজন পর্যটকও যেন এমন নিকৃষ্ট ঘটনার শিকার না হন। এটা হলে আমরা জনপ্রতিনিধিরা লজ্জিত না হয়ে পারি না।
আরিফুল হক চৌধুরী, মেয়র, সিলেট সিটি করপোরেশন

সভায় মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আধ্যাত্মিক মর্যাদার এই নগরকে আমরা স্মার্ট পর্যটন নগর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করছি। এই নগরে একজন পর্যটকও যেন এমন নিকৃষ্ট ঘটনার শিকার না হন। এটা হলে আমরা জনপ্রতিনিধিরা লজ্জিত না হয়ে পারি না।’

মেয়র আরও বলেন, ‘এমন অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের কোনো দল হয় না। আর যেন এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।’

কর্মসূচিতে কাউন্সিলরদের মধ্যে শান্তনু দত্ত, রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, তৌফিক বকস, ইলিয়াছুর রহমান, সৈয়দ তৌফিকুল হাদী, আফতাব হোসেন খান, এ বি এম উজ্জ্বল রহমান, মো. আবদুর রকিব, মো. ছয়ফুল আমীন, আবদুল মুনিম, তারেক উদ্দিন, মোস্তাক আহমদ, এস এম শওকত আমীন ও আবদুল মুহিত জাবেদ অংশ নেন। সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলদের মধ্যে শাহানারা বেগম, শাহানা বেগম, মাসুদা সুলতানা, রেবেকা বেগম, কুলসুমা বেগম ও নাজনিন আক্তার এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

মন্তব্য পড়ুন 0