বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কাদের মির্জা মানববন্ধন-সমাবেশে উপস্থিত নারীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আমাদের কোনো নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করতে গেলে মহিলাদের আঁচল দিয়ে পুলিশকে পেঁচিয়ে ধরে রাখবেন। পরে যা হবার তা হবে। আমরা এদের বিরুদ্ধে নারীর চরিত্র হননের মামলা দিব। আসামি ধরতে গেলে আপনারা ঘরের দরজা বন্ধ করে রাখবেন। কোনো অবস্থায় ঘরের দরজা খুলবেন না।’

বড় ভাই সেতুমন্ত্রীর উদ্দেশে কাদের মির্জা বলেন, ‘ওবায়দুল কাদের সাহেব, ভোট এলে মা-বোনদের যেভাবে বলেন মিষ্টি ভাষায়, সাহিত্যের ভাষায়। আজ দুই বছর আপনি কোথায়? আপনি এলাকায় কি এসেছেন? আপনার পিএসকে মাসে একবার পাঠাবেন কোম্পানীগঞ্জ এবং কবিরহাটের খবর নেওয়ার জন্য, সেটাও পাঠাননি। কয়েক দিন আগে বলেছেন, গ্যাসের অনুমোদন হয়েছে। ঘরে ঘরে গ্যাস দিবেন। এখনো কোনো খবর নাই।’

কাদের মির্জা নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপারের বিরুদ্ধে বিষোদ্‌গার করে বলেন, ‘নোয়াখালীর এসপি কত টাকা খাইসে, আল্লাহই জানেন? আল্লাহর গজব তাঁর ওপর পড়বে। আজকে কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাল আমি দখলমুক্ত করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু পুলিশ আমাকে বাধা দিচ্ছে। পুলিশ কত টাকা খেয়েছে, জবাব দিতে হবে। এখানে জবাব না দিলে আল্লাহর আদালতে দিবেন। আর যদি আমাদের একটি ছেলেকে গ্রেপ্তার করে, আপনারা সবাই ঘর থেকে বেরিয়ে আসবেন। আর ছেড়ে দেওয়া হবে না। আজকে এসপি কোম্পানীগঞ্জে যে নির্যাতন চালাচ্ছেন, তা আর মেনে নিব না।’

কাদের মির্জা বলেন, ‘যদি আমাদের দাবি মানা না হয়, তাহলে আগামী শনিবার (১৬ অক্টোবর) বেলা তিনটায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগ, সরকারি মুজিব কলেজ ছাত্রলীগ এবং বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। পরবর্তী সময়ে আরও কঠিন কর্মসূচি আমরা ঘোষণা করব। আমরা ইউএনও অফিস ঘেরাও করব। আমরা ঢাকাতে সংবাদ সম্মেলন করব, অনশন করব, মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করব।’

কাদের মির্জা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে না ফেরার ঘোষণা দিয়ে বলেন, ‘আমরা ঘরে ফিরব না। গত কিছুদিন ধরে প্রশাসন এখানে দুঃশাসন চালাচ্ছে। আজকে নোয়াখালীর কুখ্যাত এসপি রিমান্ড বাণিজ্য, শোন অ্যারেস্ট বাণিজ্যকাজে সহযোগিতা করছেন।’

ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই কাদের মির্জা আরও বলেন, ‘মন্ত্রী বলেছেন, ঘরে ঘরে চাকরি দেবেন, ঘরে ঘরে গ্যাস দিবেন, এখন পর্যন্ত আমরা গ্যাস পাই নাই। গুটিকয় ছেলেমেয়ে ছাড়া, কারও চাকরি হয় নাই। তা ছাড়া এ কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ এলাকায় নদীভাঙনের কবলে পড়ে হাজার হাজার পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। তাদের থাকার জায়গা নেই। তাই আজ এখানে মহিলারা একত্র হয়েছেন আমাদের দাবি আদায়ের জন্য।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন