বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেজাউল হক চৌধুরী ১৩ মিনিট ৩৫ সেকেন্ড বক্তব্য দেন। সেই বক্তব্য স্থানীয় কয়েকজন মুঠোফোনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সরাসরি লাইভ করেন। রেজাউল বক্তব্যে বলেন, ‘যাঁরা ভোট কেন্দ্রে যাবেন, তাঁদের নৌকায় ভোট দিতে হবে আগে। এইটাই দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের নেতাদের নির্দেশ, কেন্দ্রের নির্দেশ।’

পথসভায় উপস্থিত সবার উদ্দেশে এই নেতা বলেন, ‘দৌলতপুরের নেতৃবৃন্দ, আজ যাঁরা এখানে উপস্থিত, আপনাদের অনুরোধ করে যাচ্ছি, আপনারা প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দেবেন। আমি দৌলতপুরের ১৪ ইউনিয়নে এ ঘোষণা দিয়েছি, দিচ্ছি। আপনারা প্রকাশ্যে নৌকায় ভোট দেবেন। আর যদি ভোট না দিতে পারেন, কখনোই কেন্দ্রে যাবেন না। এরপরও যদি আপনারা যান, আমাদের নেতা-কর্মীরা যদি কোনো অঘটন ঘটায়, তার জন্য দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের কোনো নেতা দায়ী থাকবে না। আপনাদের সাবধান করে দিয়ে যাচ্ছি।’

এর আগে বক্তব্য দেন দৌলতপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শরিফ উদ্দিন। তিনি তাঁর বক্তব্যের মধ্যে বলেন, ‘আমাদের অভিভাবক হানিফ সাহেব (আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া-৩ আসনের সাংসদ মাহবুব উল আলম হানিফ) সাঈদ আনসারীকে নৌকায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ভোট নৌকার বাইরে যাবে না। যদি কেউ নৌকার বাইরে ভোট দিতে চান, সেন্টারে যাবেন না। আর সেন্টারে গেলে প্রকাশ্যে টেবিলে নৌকায় ভোট দিতে হবে। এর বিকল্প কিছু আছে? নাই।’

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে দৌলতপুর উপজেলায় ১৪টি ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রতিটি উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী আছেন। এ ছাড়া প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপির সমর্থক–প্রার্থীও আছেন।

তৃতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচনে আড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক নৌকা নিয়ে নির্বাচন করছেন সাঈদ আনসারী। দলের বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আছেন হেলাল উদ্দীন। তিনি আড়িয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়েছে।

আড়িয়া ইউপির বিদ্রোহী প্রার্থী হেলাল উদ্দীন প্রথম আলোকে বলেন, ‘নেতারা যে বক্তব্য দিয়েছেন, তাতে নির্বাচন নিয়ে ভয় ও শঙ্কায় আছি। তা ছাড়া রাতের বেলায় এলাকায় বহিরাগতরা চলাফেরা করছেন। তবে প্রশাসনের প্রতি এখন পর্যন্ত আস্থা আছে। আশা করছি, ভোট নিরপেক্ষ হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন