বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

একাধিক প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে স্থানীয় যুবক মিজানুর রহমান বলেন, তিনটি মোটরসাইকেলে সাত–আট যুবক টেংরা বাজার থেকে কামাল হোসেনকে তুলে নিয়ে একটি বাগানের দিকে যায়। ওই বাগানে নিয়ে কামাল হোসেনকে বেধড়ক মারধর করা হয়। এতে কামাল হোসেনের শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে ওঠে ও থেঁতলে যায়। এ সময় ওই যুবকদের মাথায় হেলমেট ও মুখে মাস্ক পরা ছিল।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য প্রার্থী মো. ছগির আলম বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জাহারুল সিকদার ও তার বহিরাগত কর্মীবাহিনী আমাকে ও আমার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি-ঘরে গিয়ে তাঁদের ভয়-ভীতি ও হুমকি দিচ্ছেন। এমনকি জাহারুল সিকদারের ছেলে বাবু সিকদারের নেতৃত্বে বহিরাগত ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী আমাকে ও আমার কর্মী সমর্থকদের খুন-জখমের হুমকি দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে বলছেন।’

ইউপি সদস্য প্রার্থী মো. ছগির আলম বলেন, ‘১৩ নভেম্বর রাত ১০টার দিকে আমার বাসা থেকে আমাদের কর্মী-সমর্থকেরা তাঁদের নিজ নিজ বাসায় যাওয়ার পথে বাবু সিকদারের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের ধাওয়া দিয়ে হামলার চেষ্টা চালায়। একইভাবে পরের দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে আবারও বাবু শিকদারের নেতৃত্বে ওই সন্ত্রাসীরা আমার পথরোধ করে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বলেন। এমনকি নির্বাচন থেকে সরে না গেলে আমারসহ কর্মী–সমর্থকদের বাড়িতে হামলা করা হবে বলে হুমকি দেন।’

ইউপি সদস্য প্রার্থী ছগির আলমের এক কর্মীকে তুলে নিয়ে মারধর এবং ওই প্রার্থীকে হুমকিধমকি দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে অপর সদস্য প্রার্থী জাহারুল সিকদার বলেন, ছগির আলম নিয়মিত প্রচার-প্রচারণা করে যাচ্ছেন। তবে তাঁকে কেউ হুমকিধমকি দিচ্ছেন না। তাঁর কোনো কর্মীকে তুলে নিয়ে মারধরও করা হয়নি।

এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আইউব আলী হাওলাদার প্রথম আলোকে বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইউপি সদস্য প্রার্থী ছগির আলম একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন