বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাস্তারমাথা এলাকার নুরুল হুদাদের সঙ্গে একই বাড়ির আবদুর রবের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। গত বুধবার বিকেল চারটার দিকে আবদুল রবের নাতি অন্তর ওই বিরোধপূর্ণ জমির ওপর গাছ থেকে জামরুল পাড়া শুরু করে। এতে নুরুল হুদার পরিবারের সদস্যরা বাধা দিলে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।একপর্যায়ে আবদুর রবের পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাঁদের ওপর হামলা চালান। এতে নুরুল হুদাসহ তাঁর পরিবারের পাঁচজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে সেনবাগ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে নুরুল হুদাকে একই দিন উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকাল সাতটার দিকে নুরুল হুদা মারা যান।

নিহত নুরুল হুদার বোন খালেদা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, নুরনবী, কামাল, অন্তরসহ লেলিয়ে দেওয়া সন্ত্রাসীদের হামলায় তাঁর ভাইসহ পরিবারের পাঁচজন আহত হয়েছেন। হামলার কারণেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল বাতেন মৃধা বলেন, হামলার ঘটনার পর থানায় একটি মামলা হয়েছে। মামলাটি এখন হত্যা মামলা হিসেবে তদন্ত করা হবে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিরা আত্মগোপনে থাকায় তাঁদের কাউকে এখনো গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন