বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

জনগণই তাঁর শক্তি উল্লেখ করে তৈমুর বলেন, ‘আমার পা খুব শক্ত। আমি পঞ্চাশ বছর ধরে নিজের পায়ে হাঁটি।’ নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষভাবে কাজ করছে না অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপির উদ্যোগে তাঁর সভাপতিত্বে বিজয় সমাবেশ করতে চাইলে সেটির অনুমতি দেয়নি নির্বাচন কমিশন। কিন্তু সরকারদলীয় এমপিদের নিয়ে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী বিজয় সমাবেশ করে ভোট চেয়েছেন। বারবার এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

তৈমুর আলম খন্দকার সিদ্ধিরগঞ্জপুল এলাকা থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। পরে মিজমিজিসহ আশপাশের এলাকার মানুষের কাছে ভোট চান এবং লিফলেট বিতরণ করেন। প্রতীক বরাদ্দের পর এটিই আনুষ্ঠানিক প্রচারণা।

তৈমুরের ট্যাক্স বাড়ানোর অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী সদ্য পদত্যাগী মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। তিনি বলেন, সারা দেশের ন্যায় একই নিয়মে গৃহকর আদায় করা হচ্ছে। তিনি তৈমুর আলম খন্দকারকে জনগণের মিথ্যা তথ্য না দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এই নির্বাচনে মেয়রপদে আইভী-তৈমুর ছাড়াও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাসুম বিল্লাহ্ (হাতপাখা প্রতীক), বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টির রাশেদ ফেরদৌস (হাতঘড়ি), খেলাফত মজলিসের এ বি এম সিরাজুল মামুন (দেয়াল ঘড়ি), বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের জসীমউদ্দীন (বটগাছ) ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুল ইসলাম বাবু ‌(ঘোড়া) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সাধারণ আসনের কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন এবং সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। আগামী ১৬ জানুয়ানি ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন