বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই প্রার্থীরা বুধবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসলে জানানো হয় তাঁদের মনোনয়পত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। তখন প্রার্থীরা তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের আবেদন দেখতে চান। এর বিরুদ্ধে লিখিত আবেদন করতে চান। কিন্তু রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁদের থেকে কোনো আবেদন গ্রহণ করেননি ও তাঁদের মনোনয়ন প্রত্যাহারের আবেদন দেখানো হয়নি।

২ নম্বর ওয়ার্ড সদস্যপ্রার্থী মো. খোকন ফরাজি বলেন, ‘আমরা আতঙ্কে আছি। নানামুখী চাপ রয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তাও আমাদের আবেদন রাখছেন না। আমাদের অজান্তে স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র উঠিয়ে নেওয়া হলো, এর কোনো বিচার হবে না?’
তবে সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও তুলাসার ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচনী বিধিমালা মেনেই মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা হয়েছে। কেউ তাঁদের স্বাক্ষর যাচাই করতে আসেননি। আর এর বিরুদ্ধে কেউ আবেদন করেননি।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চিতলিয়া ইউপিতে ৪৮ প্রার্থী ইউপি সদস্যপদে এবং ১২ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্যপদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন এবং তাঁদের মনোনয়ন বৈধ বলে গণ্য হয়েছিল। এর মধ্যে ৩৯ জন সাধারণ সদস্য ও ৯ জন সংরক্ষিত মহিলা সদস্যপদে তাঁদের মনোনয়নপত্র গত মঙ্গলবার প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বুধবার কমপক্ষে ২০ জন প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা কেউ মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন করেননি।

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের স্বাক্ষর জাল করে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের অভিযোগের বিষয়ে জানতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঙ্গলবার ও বুধবার ছুটে যান রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে। এ বিষয়ে প্রার্থীরা তাঁর কাছে জানতে চান, জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘এমপি স্যারের সাথে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে যে চিতলিয়া ইউনিয়নে কোনো নির্বাচন হবে না, সবাই সিলেক্টেড হবে। এই কথা এমপি মহোদয় বলেছেন।’

এ নিয়ে বৃহস্পতিবার প্রথম আলোতে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে শরীয়তপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. জাহিদ হাসান প্রথম আলোকে বলেন, ‘বিষয়টির ওপর আমরা নজর রাখছি। নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে। তারা যে নির্দেশনা দেবে, সে অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন