বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজীরটেক ইউপি নির্বাচনে সদস্য প্রার্থী আবদুর রউফ ও চেয়ারম্যান প্রার্থী আহসানুল হক মামুনের কাছ থেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে নির্বাচন কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে অর্থ আদায়ের অভিযোগটির সত্যতার প্রমাণ মিলেছে। নির্বাচনের সময় অর্থাৎ গত বছরের ৭ অক্টোবর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত সাইফুল ইসলামের সোনালী ব্যাংকের হিসাবে মোট ২৩ লাখ ৫ হাজার টাকা জমা পাওয়া গেছে। তবে ওই ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া টাকার সুনির্দিষ্ট উৎস দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন সাইফুল।

নির্বাচন কর্মকর্তার ঘুষ গ্রহণ ও দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাঁর এই কাজ শৃঙ্খলা পরিপন্থী। তাই ওই কর্মকর্তাকে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা-২০১৮ অনুযায়ী সরকারি চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালে ওই কর্মকর্তা প্রচলিত বিধি অনুযায়ী শুধু খোরাকি পাবেন বলে চিঠিতে বলা হয়েছে।

এর আগে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব (সংস্থাপন-১) মো. জিলহাজ উদ্দিন ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের তদন্ত করেন।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, তদন্তে সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সাইফুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্তের বিষয়টি মৌখিকভাবে তিনি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত আদেশ পাননি বলে জানিয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন