মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তারের পর আজ বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে দক্ষিণ সুরমার শ্রীরামপুরে সংবাদ সম্মেলন করে র‍্যাব-৯। সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৯–এর অধিনায়ক উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক বলেন, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন, ওই কিশোরীকে কয়েক মাস ধরে বিভিন্নভাবে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্যক্ত করছিলেন তিনি। প্রেমে ব্যর্থ হয়ে একাধিকবার গালিগালাজ ও প্রাণনাশের হমকি দেন তিনি। ১৯ এপ্রিল রাত তিনটার দিকে ওই কিশোরী সাহ্‌রি খাওয়ার জন্য হাত-মুখ ধোয়ার জন্য বাড়ির বাইরে নলকূপে পানি আনতে যায়। এ সময় মাহবুবুর রহমান অন্য আসামিদের সহযোগিতায় কিশোরীর হাতসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাত করেন। আহত কিশোরীর চিৎকারে পরিবারের সদস্যসহ আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে তাঁরা পালিয়ে যান।

উইং কমান্ডার মো. মোমিনুল হক আরও বলেন, আহত অবস্থায় ওই কিশোরীকে প্রথমে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল এবং পরবর্তী সময়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় গত সোমবার ছয়জনকে অভিযুক্ত করে একটি মামলা করা হয়। মামলায় মাহবুবুর রহমানকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। মামলার পর থেকে র‍্যাব-৯ গোয়েন্দা তৎপরতা চালিয়ে মাহবুবুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। আসামিদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন