বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত আরিফ আদর্শ নগর ওয়াসকরনী এলাকার রানা মিয়ার বাড়ির ভাড়াটে ইউনুছ মিয়া ও কাজলী বেগমের একমাত্র ছেলে। বাসার কাছে আহসান উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত সে।

আরিফের বাবা ইউনুছ মিয়া বলেন, ‘দুপুরের খাবার খেয়ে তাঁর ছেলে আরিফ স্কুলের কাছে এক শিক্ষকের বাসায় পড়তে যাচ্ছিল। পথে বেপরোয়া বালুবাহী একটি ট্রাক তাকে পেছন থেকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়। আমি ট্রাকচালকের বিচার চাই।’

নিহত আরিফ আহসান উদ্দিন উচ্চবিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

তিনি বলেন, ‘আমার এক ছেলে এক মেয়ে। মেয়েটি ছেলের ছোট। সে একই স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে। আমি রিকশা চালাই, আর আমার স্ত্রী কাজলী বাসাবাড়িতে পরিচারিকার কাজ করে। দুজনে যা উপার্জন করি তা দিয়ে দুই সন্তানের লেখাপড়ায় খরচ করি।’ এ কথা বলে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি। তিনি বলেন, ‘আমি কষ্ট করলেও আমার ছেলে একদিন বড় হবে, আমার সে স্বপ্ন পূরণ হলো না।’

ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুজ্জামান জানান, পুলিশ নিহত স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার জন্য দায়ী ট্রাকটি আটক করে চালক আইয়ুব আলীকে পুলিশে সোপর্দ করেছেন এলাকাবাসী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন