বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, কেরালকাতা ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডে ভোট গণনা শেষে কেকেইপি সম্মিলিত মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ সাধারণ সদস্যপদে শেখ মুজিবর রহমানকে বিজয়ী ঘোষণা করেন। ফলাফল ঘোষণার পরপর অতর্কিত পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকেরা বিজয়ী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালান। এ সময় ব্যালট পেপার ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয়। একপর্যায়ে কলারোয়া উপজেলার বেলতলা এলাকার সাতক্ষীরা-যশোর মহাসড়ক বন্ধ করে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া চলে। কলারোয়া থেকে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।

বিজয়ী ইউপি সদস্য প্রার্থী শেখ মুজিবর রহমান বলেন, পরাজিত প্রার্থীর হামলায় তাঁর তিনজন কর্মী আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কিসমত ইলিশপুরের আক্তার হোসেনকে (২৬) বাগাআচড়ায় একটি ক্লিনিকে ভর্তি করেছেন। অন্য দুজন বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, শেখ মুজিবর রহমানের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পূর্ববিরোধের কারণে মারপিট হয়েছে। তাঁরাই সড়ক বন্ধ করে দেন। এসবের সঙ্গে তিনি জড়িত নন।

কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাছিরউদ্দিন মৃধা বলেন, পরাজিত প্রার্থী সাইফুল ইসলামের কর্মী-সমর্থকেরা মূলত বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করেন। তাঁরা সড়ক বন্ধ করে দেন। পরে তিনি ও কলারোয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ পরে সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন