নিহতের চাচাতো ভাই ফাহাদ উদ্দিন মাহমুদ জানান, সোহেল প্রায় ১২ বছর ধরে দুবাই আছেন। ৮ বছর আগে দেশে ফিরে তিনি চৌদ্দগ্রাম উপজেলার জগন্নাথ ইউনিয়নের খাজুরিয়া গ্রামের শিউলি আক্তারকে বিয়ে করেন। এরপর তিনি আবার দুবাই চলে যান। বছর দেড়েক আগে ফেনীর সুফি সদর উদ্দিন সড়কে চৌধুরী সুলতানা ম্যানসন নামের একটি বাড়ির ষষ্ঠ তলার একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নেন তাঁরা।

সোহেল দুবাই থাকায় তাঁর স্ত্রী শিউলি ও দুই সন্তান রিহান (৭) ও জান্নাতকে (৪) নিয়ে ওই বাসায় থাকতেন। দেড় মাস আগে ছুটিতে দেশে আসেন সোহেল। কিন্তু কী কারণে হত্যার ঘটনা ঘটতে পারে, সে সম্পর্কে কিছু জানাতে পারেননি ফাহাদ উদ্দিন মাহমুদ।

পুলিশ ও স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, গতকাল রাতে বাবার বাড়ি যাওয়ার কথা বলে দুই শিশুসন্তানকে নিয়ে বাসা থেকে বের হয়ে যান শিউলি। এরপর আজ শুক্রবার সকালে স্থানীয় ব্যক্তিদের মাধ্যমে সোহেল হত্যার খবর পায় পুলিশ।

পরে বেলা ১১টার দিকে ফেনী মডেল থানা–পুলিশ ফেনীর সুফি সদর উদ্দিন সড়কে চৌধুরী সুলতানা ম্যানসনের ষষ্ঠ তলার ওই ফ্ল্যাট থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।

ফেনী সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নিজাম উদ্দিন প্রবাসী সোহেলের গলাকাটা লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ফেনী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে নিহতের স্ত্রী পলাতক। পালানোর সময় নিহতের স্ত্রী তাঁর দুই সন্তানকেও সঙ্গে নিয়ে গেছেন বলে জানা গেছে। এই হত্যাকাণ্ড কেন ঘটেছে, সেটি তদন্ত ছাড়া এখন কিছু বলা যাচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন