বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল তল্লাশি চালিয়ে আজ বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত মোজাফফরের কোনো সন্ধান পাননি। এ খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক (ওসি) সৈয়দ মো. জাকির হোসেন।

নিখোঁজ মোজাফফর হোসেনের জামাতা আশরাফুল ইসলাম দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ভোররাতে দৌলতদিয়ায় পৌঁছান। এ সময় তিনি বলেন, তিনি সাভারের হেমায়েতপুরে পরিবারসহ থাকেন। কয়েক দিন আগে তাঁর স্ত্রী নাসরিন আক্তার কুষ্টিয়া শহরে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। গতকাল রাতে তাঁর শ্বশুর তাঁর স্ত্রী নাসরিন আক্তার, তিন বছর বয়সী মেয়ে ও নাসরিনের এক চাচাতো ভাইকে সঙ্গে করে হেমায়েতপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। রাত তিনটার দিকে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ঘাটে ভেড়া কেরামত আলী নামের রো রো ফেরিতে ওঠে তাঁদের বহনকারী বাসটি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে মোজাফফরের জামাতা বলেন, বাস ফেরিতে উঠলে তাঁর শ্বশুর ফেরির সাইড পকেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ান। কিছুক্ষণের মধ্যে ফেরিটি ঘাট ছেড়ে দিলে ফেরির ঝাঁকিতে নিজেকে সামলাতে না পেরে ওই পকেটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে তিনি পদ্মা নদীতে পড়ে যান। এ সময় ফেরির কর্মীরা রশি পানিতে ফেলে তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে সফল হননি।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ জাকির হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, মানিকগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্যের একটি ডুবুরি দল আজ ভোরে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। তবে তাঁর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন