বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

র‌্যাব-১২ বগুড়া ক্যাম্পের ক্রাইম প্রিভেনশন স্পেশালাইজড কোম্পানির অধিনায়ক ও স্কোয়াড্রন লিডার মো. সোহরাব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, রাসেল মাহমুদের কাছ থেকে সরকারি হাসপাতালের সিল ও স্বাক্ষর ব্যবহার করা ডোপ টেস্টের বেশ কিছু জাল রিপোর্ট জব্দ করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও জালিয়াতির অভিযোগে বগুড়া সদর থানায় মামলা হয়েছে। সেই মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ডোপ টেস্টের মাধ্যমে স্নাতক সম্মান শ্রেণিতে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে বগুড়ার সরকারি আজিজুল হক কলেজ প্রশাসন। এ সুযোগে জমে উঠেছে ডোপ টেস্ট বাণিজ্য। কলেজের আশপাশ ছাড়াও শহরের ফটোস্ট্যাট ও কম্পিউটার কম্পোজের দোকানগুলোতে ২০০-৩০০ টাকায় মিলছে ডোপ টেস্টের জাল প্রতিবেদন। সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের সিল-স্বাক্ষর জাল করে তৈরি করা এসব প্রতিবেদনের শিক্ষার্থীর শরীরে মাদকের উপস্থিতি নেই বলে উল্লেখ করা হয়। এ জাল প্রতিবেদন জমা দিয়ে অনেক শিক্ষার্থীর ইতিমধ্যেই ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে।

সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ শাহজাহান আলী প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করেই অনার্স ভর্তিতে ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

বগুড়া সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার রাসেল মাহমুদকে আজ শুক্রবার আদালতে হাজির করা হবে।

এদিকে ডোপ টেস্টের ফি বাবদ বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৯৫০, মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে ৯০০ ও বেসরকারি রোগনির্ণয় কেন্দ্রে ২ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হচ্ছে। ডোপ টেস্ট করাতে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে নমুনা দিতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সম্মান শ্রেণিতে ভর্তি–ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন