বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মুন্না পড়াশোনার পাশাপাশি বাসচালকের সহকারীর কাজ করতেন। বাড়ি শেরপুর উপজেলার একটি গ্রামে। শেরপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরী এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আলী হায়দার চৌধুরী জানান, শেরপুরে এক তরুণীর সঙ্গে কিছুদিন আগে একটি মোবাইলের দোকানে সাক্ষাৎ হয় মুন্নার। এরপর ফেসবুকে আইডি খুঁজে তরুণীকে তিনি ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠান। ফেসবুকে বন্ধুত্বের সুবাদে বার্তা আদান–প্রদান শুরু হয়।

একপর্যায়ে তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিয়ের কথা বলে মেসেঞ্জারে আপত্তিকর ভিডিও রেকর্ড করেন। দুজনের মধ্যে সম্পর্কের অবনতি ঘটলে ১৮ সেপ্টেম্বর মুন্না ওই তরুণীর মেসেঞ্জারে আগেই ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিও পাঠিয়ে তা ইন্টারনেটে ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চাপ দেন। পরে ওই তরুণী বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তীর সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি খুলে বলেন।

পুলিশ জানিয়েছে, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় অভিযান চালিয়ে মুন্নাকে আটক করা হয়। তাঁর কাছে থেকে জব্দ করা মুঠোফোনে আপত্তিকর ভিডিও পাওয়া গেছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন