বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হত্যাকাণ্ডের শিকার দুই নৈশপ্রহরী হলেন সদর উপজেলার বড় সরলপুর গ্রামের আবদুল হান্নান (৪৮) ও শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান প্রতাপপুর গ্রামের শামসুল ইসলাম (৬০)।

কারখানা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার মাছু অ্যান্ড সন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড নামের কারখানায় ওই দুই নৈশপ্রহরী কাজ করতেন। গত বুধবার দিবাগত রাতে ডিউটি করতে এসে ভোর চারটার দিকে তাঁরা নিখোঁজ হন। পরে গতকাল বিকেলে কারখানার তরল বর্জ্য নিষ্কাশনের ম্যানহোলে তাঁদের লাশ খুঁজে পান কারখানার লোকজন।

বগুড়ার ফুলবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সুজন মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, লাশ দুটির গলায় গামছা প্যাঁচানো ছিল। মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে, তবে হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি।

লাশ উদ্ধারের পর মাছু অ্যান্ড সন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের (মেটাল কারখানা) মালিকের ছেলে সাজ্জাদুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, বৃহস্পতিবার দিনের বেলা হান্নানের মুঠোফোন নম্বর থেকে পাঠানো খুদে বার্তায় নিখোঁজ দুজনকে ফিরে পেতে পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ চাওয়া হয় এবং লালমনিরহাট রেলস্টেশন এলাকায় টাকা পৌঁছে দিতে বলা হয়। বিষয়টি পুলিশকে জানানোর পর গতকাল সকালে একই নম্বর থেকে আরেকটি বার্তা পাঠানো হয়। সেখানে নিখোঁজ দুজন বিপদ আছেন বলে জানানো হয়।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আলী হায়দার চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, কারখানার মালিকের ছেলে যে খুদে বার্তার কথা বলেছেন, সেগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন