মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ওই কলেজছাত্রীর (১৭) সঙ্গে আদমদীঘির এক পুলিশ সদস্যের ছেলে রাজের মুঠোফোনে পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে ওই ছাত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রাজ। সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী গত বৃহস্পতিবার নোয়াখালী থেকে সান্তাহারে আসেন ওই ছাত্রী। দিনভর তাঁরা সান্তাহার শহরের ফারিস্তা পার্কে সময় কাটান। সন্ধ্যার পর রাজ ওই ছাত্রীকে শহরের পান্নার মোড়ে তাঁর খালা ইতু বেগমের বাসায় নিয়ে যান। সেখানে বিরিয়ানি ও কোমল পানীয়র সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। শুক্রবার সকালে বিষয়টি বুঝতে পেরে আদমদীঘি থানায় এসে পুলিশের সহায়তা নেন ওই ছাত্রী। রাজের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও ইতু বেগমের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহায়তার অভিযোগে মামলা করেন তিনি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আদমদীঘি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাকিব হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে তাঁকে থানায় পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তাঁর অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন