এর আগে বেলা একটায় ধর্ষণে জড়িতদের বিচার ও শিক্ষার্থীদের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এবং জেলা প্রশাসনের অবহেলার প্রতিবাদে চোখে কালো কাপড় বেঁধে ১৫ মিনিট মৌন নীরবতা কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা। এ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন নারী শিক্ষক অংশ নেন। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল ‘উই ওয়ান্ট জাস্টিজ’, ‘নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’, ‘শিক্ষার্থীদের ১০০ ভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করুন’সহ বিভিন্ন লেখাসংবলিত প্ল্যাকার্ড।

এর আগে বিকেল সাড়ে পাঁচটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ও শেখ রেহানা হল থেকে একটি প্রতিবাদী মিছিল বের করেন ছাত্রীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়। এ সময় তারা ‘স্টপ ভিকটিম ব্লেইম’ বলে স্লোগান দেন।

default-image

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আঁখি বলেন, ‘আমার বোন ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অথচ কিছু লোক উল্টো তাকেই অপবাদ দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। সেই সঙ্গে এদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।’

প্রসঙ্গত, গত বুধবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র ও এক ছাত্রী গোপালগঞ্জ শহরের হেলিপ্যাড থেকে নবীনবাগের দিকে ফিরছিলেন। এ সময় চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত তাঁদের গতিরোধ করে। তারা ছাত্রটিকে মারধর করে ওই ছাত্রীকে পাশের নির্মাণাধীন জেলা প্রশাসন স্কুল ও কলেজ ভবনে নিয়ে ধর্ষণ করে।

এ ঘটনায় ছয় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছেন র‍্যাব-৮-এর সদস্যরা। আজ শনিবার র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার সহকারী পরিচালক (এএসপি) আ ন ম ইমরান হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষণের শিকার ওই শিক্ষার্থীর চিকিৎসা ও শারীরিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। পরে আদালতে তাঁর জবানবন্দি রেকর্ড করার পর তাঁকে পরিবারের হেফাজতে পাঠানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন