বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. বখতিয়ার প্রথম আলোকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
মামলার আবেদনে নাম থাকা অন্য বিবাদীরা হলেন কারাধ্যক্ষ দেওয়ান মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম, উপকারাধ্যক্ষ মো. সাইমুর, সুবেদার এমদাদ হোসেন ও কারারক্ষী সবুজ দাশ।

আদালত সূত্র জানায়, ফটিকছড়ির চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. শামীমকে একটি হত্যা মামলায় ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিল ফাঁসির আদেশ দেন আদালত। পরে তিনি আপিল করেন। ২০১২ সালে তাঁর সাজা কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন উচ্চ আদালত। ২০০৪ সাল থেকে তিনি কারাগারে আছেন। তাঁর বিরুদ্ধে খুন ও চাঁদাবাজির অভিযোগে করা আরও ছয়টি মামলা বিচারাধীন।

শামীমের স্ত্রীর করা নালিশি মামলার আবেদনে বলা হয়, শামীম কারা হাসপাতালে ছিলেন। গত ১৭ জুলাই খাবার না পাওয়ায় তিনি খাবার চান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে উপকারাধ্যক্ষ সাইমুরসহ অন্য বিবাদীরা তাঁকে মারধর করেন। পরদিন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠিয়ে দেন। পরে ১১ নভেম্বর চট্টগ্রাম আদালতে হাজিরা দিতে এসে তিনি মারধরের শিকার হওয়ার কথা জানান।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের কারাধ্যক্ষ দেওয়ান তারিকুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, কারাগারে সাধারণ বন্দীদের জিম্মি করে অবৈধ সুবিধা নিতেন শামীম। তাঁকে কোনো মারধর করা হয়নি। সাধারণ বন্দীরা সাক্ষ্য দেবেন তাঁর নির্যাতনের বিরুদ্ধে। কারাগারে শান্তি-শৃঙ্খলার জন্য শামীমকে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে কুমিল্লায় পাঠানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন