বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই ছাত্রী গতকাল সকাল ১০টায় স্কুলে যাওয়ার পথে আতা উল্লাহ ও তাঁর সহযোগীরা মুখে কাপড় দিয়ে চেপে পাশের পানের বরজে নিয়ে যান। ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেলচালক আতা উল্লাহ মোল্লা ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। তাঁর তিন সহযোগী শরীফ, সেফায়েত উল্লাহ ও রুবেল সিকদার ওই ছাত্রীকে হাসপাতালে নিতে বাধা দেন। তবে রক্তক্ষরণ হলে গতকাল সন্ধ্যা সাতটায় ওই কিশোরীকে হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক শাহরাজ হায়াত বলেন, মেয়েটির রক্তক্ষরণ হচ্ছিল। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন