বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নৌযান শ্রমিক ফেডারেশনের বরিশাল আঞ্চলিক কমিটির সভাপতি শেখ আবুল হাসেম বলেন, ‘আমরাও চাই না, কর্মবিরতি ডেকে যাত্রীদের ভোগান্তি দিতে। তারপরও বাধ্য হয়েছি এই কর্মবিরতি ডাকতে।’

এদিকে ধর্মঘট ডাকার পর বরিশাল নদীবন্দরে অবস্থানরত দোতলা লঞ্চগুলো পন্টুন থেকে সরিয়ে কীর্তনখোলা নদীর পূর্ব পাড়ে নিয়ে নোঙর করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় লঞ্চ মালিক সমিতির সহসভাপতি সাইদুর রহমান বলেন, দুই মাস্টারের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানোর ঘটনায় নৌ শ্রমিকেরা পূর্বঘোষণা ছাড়াই লঞ্চ বন্ধ করে দিয়েছেন। এ বিষয়ে আলাপ-আলোচনা চলছে। আশা করা হচ্ছে, শিগগিরই সমস্যার সমাধান হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন