বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিআইডব্লিউটিসি বাংলাবাজার ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, ঘাটের পরিস্থিতি আপাতত স্বাভাবিক আছে। উভয়মুখী যাত্রী থাকলেও যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপ নেই। যাত্রীর চাপ সামাল দিতে ১৫টি ফেরি চালু আছে। ফেরি সার্ভিসে কোনো সমস্যা নেই। তবে তীব্র স্রোতে শিমুলিয়া থেকে ফেরিগুলো বাংলাবাজারে আসতে কিছুটা সমস্যায় পড়ছে।

ঢাকার গুলিস্তান থেকে আসা বরিশালগামী যাত্রী শামীম হাওলাদার বলেন, ‘ঈদের আগে অনেক ভিড় থাকে। ভিড় এড়াতেই ঈদের পরের দিন বাড়ি যাচ্ছি। আমি ঘাটে আসামাত্রই লঞ্চে উঠতে পেরেছি। কোনো দুর্ভোগ আর ভিড় ছাড়াই পদ্মা পার হলাম।’

ঢাকার মগবাজার থেকে আসা ঘরমুখী যাত্রী মো. ইউসুফ ব্যাপারী বলেন, ‘শুক্রবার থেকে আবারও লকডাউন শুরু হচ্ছে। এত দিন ঢাকায় ছিলাম। কাজ থাকায় ঈদের আগে বাড়ি যেতে পারিনি। তাই এখন বাড়ি যাচ্ছি। লকডাউনে বাড়িতেই থাকব।’

ঢাকাগামী যাত্রী মো. মহসিন খান বলেন, ‘গত লকডাউনে বাড়ি এসেছিলাম। তাই এখন ঢাকা যাচ্ছি। শুক্রবার থেকে লকডাউন শুরু হলে যাতায়াতে সমস্যা হতে পারে। তাই আজই রওনা দিয়েছি।’

বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার লঞ্চঘাটের ট্রাফিক পরিদর্শক আক্তার হোসেন বলেন, ‘ঢাকামুখী যাত্রীর চাপ এখনো তেমন বাড়েনি। আবার বাড়ি ফিরছেন অনেকে। শিমুলিয়া ঘাট থেকে লঞ্চে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীরা বাংলাবাজার ঘাটে এসে নামছেন।’

বাংলাবাজার ঘাটে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক আশিকুর রহমান বলেন, ঘাটে ছোট গাড়ির কিছু চাপ আছে। পারাপারের অপেক্ষায় শতাধিক ছোট গাড়ি আটকা পড়েছে। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক আছে, ফলে সিরিয়াল মেনেই গাড়িগুলো ফেরিতে লোড দেওয়া হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন