বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

রুবি আক্তার বলেন, মা-বাবা মারা যাওয়ার পর ছোট দুই বোনকে নিয়ে রুবি চট্টগ্রামে চলে যান। সেখানে তিনি পোশাক কারখানায় চাকরি করে দুই বোনকে পড়াশোনা করান। ২০১৯ সালে তাঁরা বাড়ি ফিরে দেখেন এলাকার প্রভাবশালীদের যোগসাজশে তাঁদের পৈতৃক সম্পত্তি দখল হয়ে গেছে। ওই সময় তাঁদের ওই বাড়ি থেকেও বের করে দেওয়া হয়। এর পর থেকে তাঁরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন।

রুবি আক্তার বলেন, ‘আমার ছোট বোনেরা দূরসম্পর্কের আত্মীয়ের বাসায় থেকে পড়াশোনা করত। তিন বছর আগে আমি বাড়ি এসে দেখি বাবার সব সম্পত্তি আমার চাচারা এলাকার প্রভাবশালীদের যোগসাজশে দখল করে নিয়েছেন। তাঁরা আমাদের বলেন, নিলামে তাঁরা আমাদের জমি কিনে নিয়েছেন। পরে বামনা উপজেলা ভূমি অফিসে গিয়ে জানতে পারি, আমাদের জমির নিলাম হয়নি।’

ওই তিন বোন দাবি করেন, তাঁরা এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা প্রশাসককে জানালেও কোনো সমাধান হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে অনশনে বসেছেন। তাঁরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করেন।

জানতে চাইলে ইউএনও বিবেক সরকার প্রথম আলোকে বলেন, প্রায় এক বছর আগে ওই তিন বোনের কাছ থেকে তিনি একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছিলেন। পরে তিনি ওই অভিযোগ তদন্ত করার জন্য বামনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দেন। কিন্তু এ বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আর কেউ যোগাযোগ করেননি বলে তিনি দাবি করেন।

বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন, আজ অনশন শুরু করার পর তিনি ওই তিন বোনকে তাঁর কার্যালয়ে ডেকেছিলেন। তবে তাঁরা কেউ আসেননি। পরে তিনি নিজে গিয়ে তাঁদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও কেউ কথা বলতে রাজি হননি। ওই তিন বোন এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ দাবি করছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন