পরিবারের লোকজন ও বন্ধুরা জানান, মেরাজ হকের বাবা শরিফুল হক বুধবার দিবাগত রাত ৩টায় হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়ে বাড়িতে মারা যান। এমন অবস্থায় বাবাকে হারিয়ে শোকে ভেঙে পড়েন মেরাজ। স্বজনদের সান্ত্বনায় চোখের পানি মুছে বাবার লাশ বাড়িতে রেখে সকালে পরীক্ষা দিতে যান। পরীক্ষা শেষে বেলা আড়াইটার দিকে তাঁর বাবার লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

বৃহস্পতিবার উপজেলার সাইফুর রহমান সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, ৩ নম্বর কক্ষে বসে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা দিচ্ছেন মেরাজ হক। এক হাতে চোখের পানি মুছে অন্য হাতে পরীক্ষার খাতায় লিখে চলছেন। আবার ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠছেন মাঝেমধ্যে। তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন পাশের পরীক্ষার্থী সহপাঠীরা। পরীক্ষা শুরুর কিছু সময়ের মধ্যে তাঁর বাবার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ায় পুরো কেন্দ্রে নেমে আসে শোকের ছায়া।

সাইফুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্রসচিব মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরীক্ষার্থী মেরাজ হকের বাবার মৃত্যু বিষয়টি আমরা শুনেছি। তবে তাকে বিশেষ কোনো সুবিধা দেওয়া হয়নি। পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আমরা তাকে উৎসাহ দিয়েছি।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন