বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, একই এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকার সময় হোসেন আলীর সঙ্গে কিশোরীর পরিবারের সখ্য গড়ে ওঠে। সেই সুবাদে প্রায়ই কিশোরীদের বাসায় যেতেন হোসেন। ১৫ জানুয়ারি সকালে হোসেন আলী তাঁর ঘরে ডেকে নিয়ে কিশোরীকে কোমল পানীয়র সঙ্গে নেশাজাতীয় ওষুধ সেবন করিয়ে তাকে ধর্ষণ করেন ও ভিডিও ধারণ করেন। পরে সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন সময় কিশোরীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন। একপর্যায়ে কিশোরী বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। মানসম্মানের ভয়ে ওই এলাকা ছেড়ে পরিবারটি অন্য এলাকায় চলে যায়। হোসেন আলী সেখানেও অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের নিয়ে মহড়া দিতেন এবং কিশোরীকে অপহরণ করে হত্যার হুমকি দিতেন।

এ ঘটনায় শেষ পর্যন্ত উপায় না পেয়ে কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে গতকাল রাতে ময়মনসিংহ কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণ মামলা করেন। মামলায় অভিযুক্ত হোসেন আলী ও তাঁর তৃতীয় স্ত্রী তামান্না বেগমকে আসামি করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ বলেন, কিশোরীকে ধর্ষণের পর জনতার হাতে আটক হয়েছিলেন হোসেন আলী। সে সময় স্থানীয় সালিসে বিষয়টি মীমাংসা করে ধামাচাপা দেওয়া হয়। কিন্তু কিশোরীর পিছু ছাড়েননি হোসেন। এ বিষয়ে র‍্যাবের কাছে লিখিত অভিযোগ দিলে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন