বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চাল পাওয়া পরিবারগুলোর সদস্যদের অভিযোগ, বালতিতে মেপে চাল দেওয়া হয়। প্রতি পরিবারের ১০ কেজি করে চাল পাওয়ার কথা থাকলেও অনেকেই পরিমাণে কম পেয়েছেন। কাউকে আট কেজি, আবার কাউকে সাড়ে আট বা নয় কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

রাজবাড়ী জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজবাড়ীতে মোট ৮০ হাজার ৬৫টি পরিবারের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলায় ১৫ হাজার ৬৮৯টি পরিবার এ সহায়তা পাবে। তাদের মধ্যে নারুয়া ইউনিয়নে রয়েছে ১ হাজার ৯৫১টি পরিবার। জনপ্রতিনিধিরা সুবিধাভোগীদের এ তালিকা তৈরি করেছেন।

নারুয়া ইউপি সচিব আবুল কালাম আজাদ বলেন, গুদাম থেকে আনার সময় কোনো কোনো বস্তায় চাল পরিমাণে কম থাকে। মাপার সময় অল্পকিছু চাল কম থাকতে পারে। কিন্তু পরিমাণে তা খুব সামান্য। কেউ ৯ কেজির কম চাল পাচ্ছেন না।

ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এ চাল মাপা হয়নি দাবি করে আবুল কালাম আজাদ বলেন, তাঁরা পরিষদের বাইরে গিয়ে চাল মেপেছেন। সেখানেও ৯ কেজি করে চাল পেয়েছেন। পরিষদের ভেতর থেকে মাপজোখ করার নিয়ে আপত্তি তুললে তা সমাধান করে দেওয়া হতো।

চাল কম দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমার এখানে ২৪ জন স্টাফ রয়েছেন, ইউপি সদস্যরা রয়েছেন। এই অল্প পরিমাণ চাল সরিয়ে কয় টাকা হবে! এলাকায় আমার একটি বিরোধী পক্ষ রয়েছে। তাঁরা এসব রটিয়ে বেড়াচ্ছেন। আমরা যে কাজ করছি তাতেই ভুল ধরছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন