বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অ্যাপটির বাসভাড়া অপশনে গিয়ে গন্তব্যে ক্লিক করতে হবে। এরপর রুট নম্বর দিলে ভাড়ার পরিমাণ চলে আসবে। নির্ধারিত ওই ভাড়ার বেশি কোনো বাসে যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হলে পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯ অথবা নগর পুলিশের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নম্বরে (৩০৩৫২, ৬৩৯০২২, ৬৩০৩৭৫) অভিযোগ জানানো যাবে। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ট্রাফিক পুলিশ বাসচালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এক প্রশ্নের জবাবে সালেহ তানভীর বলেন, বাস মালিক ও চালক সমিতির নেতাদের সঙ্গে পুলিশের কথা হয়েছে। তাঁরা নির্ধারিত ভাড়ার বাইরে বাড়তি টাকা নেবেন না বলে জানিয়েছেন।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নগর পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) শ্যামল কুমার নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) সানা শামীনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) মো. শামসুল আলম, উপপুলিশ কমিশনার (সদর) মো. আমির জাফর, উপপুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আলী হোসেন প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে নগরের গুরুত্বপূর্ণ জিইসি মোড়, ২ নম্বর গেট, বহদ্দারহাট, মুরাদপুর, অক্সিজেন, পতেঙ্গাসহ ৪১১টি স্থানে ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরা বসানোর কথা জানান পুলিশ কমিশনার সালেহ মোহাম্মদ তানভীর। তিনি বলেন, নগর পুলিশের কন্ট্রোল রুম থেকে সিসি ক্যামেরাগুলো মনিটর করা হচ্ছে। এসব ক্যামেরায় ধারণ করা ফুটেজ ১৫ দিন পর্যন্ত হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত থাকবে। সার্বক্ষণিক দুজন অপারেটর এসব ক্যামেরার কার্যক্রম মনিটর করছেন। পাশাপাশি একটি দল মাঠপর্যায়ে কাজ করছে ক্যামেরাগুলো যাতে সচল থাকে।

সিসি ক্যামেরার আওতায় আসায় অপরাধীদের অপরাধপ্রবণতা কমে যাবে, পাশাপাশি অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও আসামি শনাক্তকরণ সহজ হবে বলে মনে করেন নগর পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, সিসি ক্যামেরা আগেও স্থাপন করা হয়েছিল। এবার নতুন করে স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো যাতে সচল থাকে, সার্বক্ষণিক মনিটর করা হবে। নগরবাসীকে বাসাবাড়ি ও অফিসের আশপাশে সিসি ক্যামেরা লাগানোর অনুরোধ জানান পুলিশ কমিশনার।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন