বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, আজ সকালে তিনি ও তাঁর ফুফাতো বোন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রান্তিক ফটক থেকে ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। বাসটি হেমায়েতপুর এলাকায় পৌঁছালে তিনি পেছন থেকে শরীরে কোনো কিছুর স্পর্শ টের পান। বিষয়টি প্রথমে তিনি গুরুত্ব না দিয়ে সামনে ঝুঁকে বসেন। কিছুক্ষণ পর তিনি একই অনুভূতি পেলে পেছনে হাত দিয়ে দেখেন জামার বেশ কিছু অংশ কাটা। এ সময় তিনি পেছনে ঘুরে দেখেন হারুন-অর-রশীদ বাসের জানালা দিয়ে একটি কাটার ফেলে দিয়ে তাড়াহুড়া করে সিট থেকে উঠছেন।

এ সময় ওই ছাত্রী চিৎকার করলে বাসের অন্য যাত্রীরা হারুনকে আটক করেন। আটকের পর ওই ব্যক্তিকে হেমায়েতপুর পুলিশ বক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে সাভার মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী প্রথম আলোকে বলেন, ‘প্রথমে ভেবেছি কেউ হয়তো পেছন থেকে আমার সিটের পেছনের দিকে পা তুলে বসেছে। পরে একই ঘটনা আবার ঘটলে আমি হাত দিয়ে দেখি, আমার জামার পেছনের নিচের দিকে বেশ কিছু অংশ কাটা। আমার ফুফাতো বোনেরও একইভাবে জামা কেটে দেওয়া হয়েছে।’

জানকে চাইলে সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মাইনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত অভিযোগে এক ব্যক্তিকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী দুই ছাত্রী মামলার জন্য এসেছেন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে। সব প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত এ ব্যাপারে মামলা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন