বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিদের অভিযোগ, চোরেরা আগে থেকেই একটা বাসাকে নির্দিষ্ট করে বসবাসকারীদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। যখন বাসায় কেউ থাকে না, তখন সুযোগ বুঝে চুরি করে। প্রায়ই চুরির ঘটনা ঘটছে দিনের বেলায়। বাসায় ঢুকে সোনা ও টাকা চুরি করার পাশাপাশি গ্যারেজ থেকে সাইকেলও নিয়ে যায় চোরেরা। এ কারণে এখানে পুলিশি টহল আরও বাড়ানো উচিত বলে তাঁরা মনে করেন।

এলাকার এক ব্যবসায়ী বলেন, তিনি ভাড়া বাসায় থাকেন। তাঁর ফ্ল্যাটটি দোতলায়। কিছুদিন আগে বাসায় তালা মেরে পাঁচ দিনের জন্য সপরিবার গ্রামের বাড়িতে যান। ফিরে দেখেন দরজার তালা ভাঙা। চোরেরা স্বর্ণালংকার, টাকাসহ মূল্যবান জিনিসপত্র নিয়ে গেছে। তবে তিনি থানায় কোনো মামলা কিংবা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেননি। এ ঘটনার কয়েক দিন পরেই তাঁর বাসার নিচ থেকে আরেকজন বাসিন্দার একটি বাইসাইকেল চুরি হয়েছে।

স্থানীয় রাজীব চৌধুরী বলেন, সংঘবদ্ধ কয়েকটি চক্র এর সঙ্গে জড়িত। প্রতিনিয়ত চুরির ঘটনা ঘটলেও ঝামেলা পোহানোর ভয়ে কেউ পুলিশকে বিষয়টি জানান না।

সিটি করপোরেশনের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী দেশের বাইরে থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে ওয়ার্ডের সচিব কয়েছ আহমদ বলেন, চোরদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে, এমন অভিযোগ তাঁদের কার্যালয়েও কেউ করেননি। যেহেতু পায়রা এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা আছে, তাই এমন অভিযোগ পেলে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে সত্যতা যাচাই করা যেতে পারে।

কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলী মাহমুদ বলেন, মাজার ও আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক পুলিশের টহল থাকে। চুরির বিষয়ে কোনো অভিযোগ পুলিশের কাছে কেউ করেননি। তবে পায়রা এলাকায় পুলিশের নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন