বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. হারুন অর রশিদ মুঠোফোনে বলেন, তাঁদের ইফতার মাহফিলটি ছিল পূর্বঘোষিত। এ উপলক্ষে চরনিখলা উচ্চবিদ্যালয় মাঠের এক কোণে একটি ছোট মঞ্চ ও কিছু চেয়ার-টেবিল পাতা হয়েছিল। বিকেল চারটার দিকে আয়োজনের প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় বিদ্যালয়ের ফটক দিয়ে যুবলীগের নামে স্লোগান দিতে দিতে কিছু নেতা–কমী দেশি অস্ত্র নিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করে হামলা চালায়। হামলাকারীরা ইফতার মাহফিল মঞ্চের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ইফতার আয়োজন নিয়ে ব্যস্ত থাকা বিএনপির কয়েকজন কর্মী হামলার শিকার হয়ে আহত হন।

default-image

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, খবর পেয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানা থেকে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তাঁরা হামলাকারীদের ধাওয়া দিয়ে বিদ্যালয় মাঠ থেকে বের করে দেয়। এ সময় বেশ কয়েকজন হামলাকারী পুলিশের পিটুনির শিকার হন। পরে হামলাকারীরা মিছিল করে শহরের গো-হাটায় অবস্থিত উপজেলা বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুর করে।

default-image

হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মো. আবুল খায়ের মুঠোফোনে বলেন, যুবলীগের কেউ হামলা চালায়নি। প্রশাসনের অনুমতি না নিয়ে বিএনপি সেখানে পাঁচ-ছয় হাজার লোকের ইফতারির আয়োজন করেছিল। ইফতারের পর দলটির নেতা–কর্মীরা মিছিল করার পাঁয়তারা চেষ্টা করেছিল। পুলিশ সেখানে পৌঁছার পর বিএনপির নেতা–কর্মীরা পুলিশের ছত্রচ্ছায়ায় তাঁদের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

default-image

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবদুল কাদের মিয়া বলেন, খবর পেয়ে তিনি পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেছেন। হামলাকারীদের তিনি চেনেন না। ইফতার আয়োজনটি পাঁচ-ছয় হাজার লোকের ছিল না। এ ঘটনায় বিএনপির পক্ষ থেকে থানায় কোনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন