default-image

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে একই দিনে বাল্যবিবাহ থেকে রক্ষা পেয়েছে আট ছাত্রী। বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনিসুর রহমানের নেতৃত্বে শুক্রবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিয়েগুলো বন্ধ করা হয়।
ইউএনও আনিসুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, শুক্রবার বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাল্যবিবাহগুলো বন্ধ করা হয়। আটটি বাল্যবিবাহের ছয়টিতে কনে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও দুটিতে বর ও কনে উভয়ই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল। এ কারণে আইন মেনে বাল্যবিবাহগুলো বন্ধ করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ ছাড়া বর ও কনের বাবার কাছ থেকে বর ও কনে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, প্রথমে শুক্রবার বিকেল চারটায় বেলকুচি পৌরসভার চরচালা এলাকায় অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রীর (১৪) বিয়ে বন্ধ করে দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর বিকেল ৫টায় বেলকুচি পৌরসভার গাড়ামাসী এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর (১২), সন্ধ্যা ৬টায় বেলকুচি পৌরসভার সূবর্ণসাড়া এলাকায় দশম শ্রেণির ছাত্রীর (১৫), রাত ৮টায় উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর পেস্তকপাড়া গ্রামের দশম শ্রেণির ছাত্রীর (১৪), রাত ৯টায় বেলকুচি পৌরসভার চন্দনগাতী দক্ষিণপাড়া এলাকায় ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী (১৩), রাত সাড়ে ৯টায় বেলকুচি পৌরসভার চন্দনগাতী দক্ষিণপাড়া এলাকায় একাদশ শ্রেণির ছাত্রী (১৭), রাত ১০টায় ধুকুরিয়া বেড়া ইউনিয়নের কল্যাণপুর গ্রামে সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী (১২) এবং দৌলতপুর ইউনিয়নের দৌলতপুর পেস্তকপাড়া গ্রামের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রীর (১৫) বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়।

বাল্যবিবাহগুলো বন্ধ করতে সহায়তা করেন বেলকুচি থানার উপপরিদর্শক রবিউল, সহকারী উপপরিদর্শক জহুরুল ইসলাম, মোস্তাফিজ, পেশকার হাফিজ উদ্দিনসহ বেলকুচি থানার পুলিশ ও আনসার সদস্যরা।

মন্তব্য করুন