বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানায়, শাহারুল ইসলাম হরিরামপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্যপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি টিউবওয়েল প্রতীক নিয়ে ৮৩৮ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। তিনি একই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। একই ওয়ার্ডে ফিরোজ কবির সাধারণ সদস্যপদে ফুটবল প্রতীকে ৯৮৪ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তিনি ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি।

শাহারুলের পরিবারের দাবি, আজ মঙ্গলবার বিকেলে শাহারুল ইসলাম পাশের গ্রামে দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। বিকেল চারটার দিকে ফিরোজ কবিরের সমর্থনে হরিরামপুর গ্রামের হাজিরবাজার চৌমাথায় একটি বিজয় মিছিল বের হয়। মিছিলটি পরাজিত প্রার্থী শাহারুলের বাড়ির অদূরে পৌঁছালে তাঁর (শাহারুল) এক সমর্থককে মারধর করেন মিছিলকারীরা। খবর পেয়ে শাহারুল তাঁকে রক্ষার জন্য সেখানে যান। এ সময় মিছিল থেকে শাহারুলের ওপর অতর্কিত হামলা চালানো হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে শাহারুলকে উদ্ধার করে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক সারওয়ার জাহান বলেন, রোগীকে হাসপাতালে আনার পর তাঁর শরীরের বিভিন্ন পরীক্ষা–নিরীক্ষা করা হয়। হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে। তবে তাঁর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।

শাহারুলের ছেলে শিহাব মিয়া বলেন, আজ বিকেলে তাঁর বাবা দাওয়াত খেতে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিজয়ী ইউপি সদস্য ফিরোজের মিছিল থেকে তাঁদের একজন কর্মীকে মারধর করা হয়। এটা শুনে তাঁর বাবা সেখানে যান। পরে তাঁর বাবার বুক, পিঠে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। তাঁকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে তিনি মারা যান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন