বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত বছর নভেম্বরে ওই বিজয় স্তম্ভটি ভেঙে ফেলা হয়। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এর প্রতিবাদে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি যশোর জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেয়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যশোর-সাতক্ষীরা সড়কের সম্প্রসারণের জন্য স্মৃতি স্তম্ভটি ভেঙে ফেলা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়, কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের মাঠের শেষ প্রান্তে বিজয় স্তম্ভটি নির্মাণ করা হবে। কিন্তু এক বছর পেরিয়ে গেলেও বিজয় স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়নি।

এ বছর বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে সবাই আশা করেছিলেন, নতুন বিজয় স্তম্ভে শ্রদ্ধা নিবেদন করা যাবে। এ সম্পর্কে একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি আইনজীবী আবু বকর সিদ্দিকী জানান, কারও সঙ্গে কোনো কথা না বলে বিজয় স্তম্ভটি ভেঙে ফেলা চরম অন্যায় হয়েছে। পরে এটি নির্মাণের আশ্বাস দেওয়া হলেও আজও নির্মিত হয়নি। এটা আরও হতাশার।

এ ব্যাপারে কেশবপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এম এম আরাফাত হোসেন জানান, জেলা পরিষদ থেকে অর্থ বরাদ্দ করার কথা ছিল। এখনো অর্থ বরাদ্দ না হওয়ায় বিজয় স্তম্ভটি নির্মাণ করা যায়নি। এ বিষয়ে অচিরেই উদ্যোগ নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন