বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন


শিক্ষকেরা বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় দেড় বছর বিদ্যালয়টি বন্ধ থাকায় বাজারটি দ্রুত সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রতিদিন বিদ্যালয়টির পাশে বড় পরিসরে মাছবাজার বসার কারণে শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ তাঁরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। মাছের নোংরা পানি চারদিকে পড়ে থাকে। দুর্গন্ধে তাঁরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন।

বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, আসা-যাওয়ার সময় মানুষের ভিড় আর ক্লাসে দুর্গন্ধের কারণে তাদের স্কুলে আসতে ভালো লাগে না।

সহকারী শিক্ষক আমির হামজা বলেন, এটি উপজেলার সেরা একটি স্কুল। কিন্তু মাছবাজারের দুর্গন্ধে বিদ্যালয়ে টেকা দায়। ঠিকভাবে তাঁরা ক্লাস নিতে পারছেন না।
বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি আহসান উল্লাহ (৫০) বলেন, মাছবাজারের কারণে দুর্গন্ধ ছাড়াও সড়কে দীর্ঘ সময় ধরে যানজট লেগে থাকে। বাজারের স্থান পরিবর্তনের জন্য তাঁরা চেষ্টা করছেন।

প্রধান শিক্ষক শামছুন নাহার সুলতানা হক বলেন, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বেলা সোয়া তিনটা পর্যন্ত থাকেন। এ সময়টা পুরোদমে মাছবাজার চলে। একদিকে দুর্গন্ধ আর মানুষের কলরব অন্যদিকে সড়কে থাকে দীর্ঘ যানজট। মাছবাজারের কারণে বিদ্যালয়ের ৯ জন শিক্ষক আর ৩৭৪ জন শিক্ষার্থী ভোগান্তিতে রয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক বলেন, এখানে বাজার বসার কারণে বিদ্যালয়টির পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে। মাছ ব্যবসায়ীদের এখান থেকে সরে যেতে গত সোমবার থেকে তিন দিনের সময় দিয়েছিলেন। আগামী রোববার থেকে তাঁদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন