বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আচরণবিধি লঙ্ঘন করে নির্বাচনী এলাকায় গিয়ে নৌকার প্রার্থীর জন্য ভোট চাওয়া এবং বিদ্রোহী প্রার্থীকে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে খাদেমুন নবী চৌধুরী আজ বৃহস্পতিবার সকালে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। সাংসদের বক্তব্যের ধারণ করা ভিডিও ক্লিপও রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া হয়েছে। পরে দুপুরে জেলা প্রশাসকের কাছেও একই অভিযোগ দিয়েছেন। সেই সঙ্গে সাংসদের হুমকিতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে নিরাপত্তা চেয়েছেন খাদেমুন নবী।

সাংসদের ওই বক্তব্যের ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।
বিদ্রোহী প্রার্থীকে ‘মিস্টার মোস্তাক’ ও ‘মিস্টার মীর জাফর’ সম্বোধন করে ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘সেদিন বঙ্গবন্ধু বোঝেননি বলে আজ আমরা বুঝব না, তা হবে না। ১১ নভেম্বরের পরের দিন ১২ নভেম্বর হবে। সেদিন নতুন সূর্য উঠবে, কিন্তু তোমার আকাশে কোনো সূর্য উঠবে না।’

১১ নভেম্বরের পরের অবস্থা বোঝানোর জন্য সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘১১ তারিখের পরে ওমর ফারুক চৌধুরী এমপি থাকবে নাকি থাকবে না?’ নেতা-কর্মীরা তখন চিৎকার করে বলেন, ‘থাকবে’। তিনি আবার বলেন, ‘১১ তারিখের পরে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকবে নাকি থাকবে না।’ নেতা-কর্মীরা আবার চিৎকার করে বলেন, ‘থাকবে।’ এরপর তিনি বিদ্রোহী প্রার্থীকে ইঙ্গিত করে বলেন, ‘তাহলে সেদিন তাঁর অবস্থা কী হবে?’

একপর্যায়ে ফারুক চৌধুরী বলেন, ‘মায়েরা লজ্জা-টজ্জা পাবেন না।’ লজ্জা পেলে মাটির দিকে তাকাতে হবে বলে তিনি একটি অশ্লীল চুটকি বলেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত বেশ কয়েকজন ভোটার বলেন, ‘অশ্লীল চুটকি বলার সময় সভায় উপস্থিত নারী নেতা-কর্মীরা বিব্রতবোধ করেন।’

এ বিষয়ে কথা বলার জন্য গতকাল রাতে এবং আজ সকালে সাংসদ ওমর ফারুক চৌধুরীর মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার কল করা হয়। তবে তিনি কল ধরেননি।

কলমা ইউনিয়নে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্বে আছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শামীমুল ইসলাম। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি একটি নির্বাচনী মিটিংয়ে আছেন। এ বিষয়ে অভিযোগ দিলে তিনি সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে পাঠিয়ে দেবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন